সূরা An-Naziat (النازعات) – আল কুরআন

سورة النازعاتAn-Naziat
79
সূরা
46
আয়াত
Makki
অবতীর্ণ
সূরা পরিসংখ্যান, অন্তর্দৃষ্টি এবং মেটাডেটা অন্বেষণ করুন

🎧 পূর্ণ তিলাওয়াত শুনুন — An-Naziat

🎧 সমস্ত সূরা শুনুন →
1
وَٱلنَّـٰزِعَٰتِ غَرۡقٗا
কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।
Tafseer
2
وَٱلنَّـٰشِطَٰتِ نَشۡطٗا
আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।
Tafseer
3
وَٱلسَّـٰبِحَٰتِ سَبۡحٗا
আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।
Tafseer
4
فَٱلسَّـٰبِقَٰتِ سَبۡقٗا
আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।
Tafseer
5
فَٱلۡمُدَبِّرَٰتِ أَمۡرٗا
অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।
Tafseer
6
يَوۡمَ تَرۡجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।
Tafseer
7
تَتۡبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।
Tafseer
8
قُلُوبٞ يَوۡمَئِذٖ وَاجِفَةٌ
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।
Tafseer
9
أَبۡصَٰرُهَا خَٰشِعَةٞ
তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।
Tafseer
10
يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرۡدُودُونَ فِي ٱلۡحَافِرَةِ
তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,
Tafseer
11
أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمٗا نَّخِرَةٗ
যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?
Tafseer
12
قَالُواْ تِلۡكَ إِذٗا كَرَّةٌ خَاسِرَةٞ
তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।
Tafseer
13
فَإِنَّمَا هِيَ زَجۡرَةٞ وَٰحِدَةٞ
আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।
Tafseer
14
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।
Tafseer
15
هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
Tafseer
16
إِذۡ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلۡوَادِ ٱلۡمُقَدَّسِ طُوًى
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,
Tafseer
17
ٱذۡهَبۡ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
Tafseer
18
فَقُلۡ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?
Tafseer
19
وَأَهۡدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخۡشَىٰ
‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
Tafseer
20
فَأَرَىٰهُ ٱلۡأٓيَةَ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
Tafseer
21
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।
Tafseer
22
ثُمَّ أَدۡبَرَ يَسۡعَىٰ
তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
Tafseer
23
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।
Tafseer
24
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلۡأَعۡلَىٰ
আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।
Tafseer
25
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلۡأٓخِرَةِ وَٱلۡأُولَىٰٓ
অবশেষে আল্লাহ তাকে আখিরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।
Tafseer
26
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبۡرَةٗ لِّمَن يَخۡشَىٰٓ
নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।
Tafseer
27
ءَأَنتُمۡ أَشَدُّ خَلۡقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُۚ بَنَىٰهَا
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।
Tafseer
28
رَفَعَ سَمۡكَهَا فَسَوَّىٰهَا
তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
Tafseer
29
وَأَغۡطَشَ لَيۡلَهَا وَأَخۡرَجَ ضُحَىٰهَا
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
Tafseer
30
وَٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
Tafseer
31
أَخۡرَجَ مِنۡهَا مَآءَهَا وَمَرۡعَىٰهَا
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
Tafseer
32
وَٱلۡجِبَالَ أَرۡسَىٰهَا
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
Tafseer
33
مَتَٰعٗا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَٰمِكُمۡ
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
Tafseer
34
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
Tafseer
35
يَوۡمَ يَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
Tafseer
36
وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
Tafseer
37
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
Tafseer
38
وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
Tafseer
39
فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
Tafseer
40
وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
Tafseer
41
فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।
Tafseer
42
يَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرۡسَىٰهَا
তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?
Tafseer
43
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكۡرَىٰهَآ
তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?
Tafseer
44
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।
Tafseer
45
إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخۡشَىٰهَا
তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।
Tafseer
46
كَأَنَّهُمۡ يَوۡمَ يَرَوۡنَهَا لَمۡ يَلۡبَثُوٓاْ إِلَّا عَشِيَّةً أَوۡ ضُحَىٰهَا
যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
Tafseer