পারা 30 — An-Naba to An-Nas – আল কুরআন

পারা · 30
الجزء الثلاثونপারা 30An-Naba – An-Nas
37
সূরাসমূহ
564
আয়াত
30
পারা নং

1
عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ
কোন্ বিষয় সম্পর্কে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করছে ?
Tafseer
2
عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلۡعَظِيمِ
মহাসংবাদটি সম্পর্কে,
Tafseer
3
ٱلَّذِي هُمۡ فِيهِ مُخۡتَلِفُونَ
যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।
Tafseer
4
كَلَّا سَيَعۡلَمُونَ
কখনো না, অচিরেই তারা জানতে পারবে।
Tafseer
5
ثُمَّ كَلَّا سَيَعۡلَمُونَ
তারপর কখনো না, তারা অচিরেই জানতে পারবে।
Tafseer
6
أَلَمۡ نَجۡعَلِ ٱلۡأَرۡضَ مِهَٰدٗا
আমি কি বানাইনি যমীনকে শয্যা?
Tafseer
7
وَٱلۡجِبَالَ أَوۡتَادٗا
আর পর্বতসমূহকে পেরেক?
Tafseer
8
وَخَلَقۡنَٰكُمۡ أَزۡوَٰجٗا
আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়।
Tafseer
9
وَجَعَلۡنَا نَوۡمَكُمۡ سُبَاتٗا
আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম।
Tafseer
10
وَجَعَلۡنَا ٱلَّيۡلَ لِبَاسٗا
আর আমি রাতকে করেছি আবরণ।
Tafseer
11
وَجَعَلۡنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشٗا
আর আমি দিনকে করেছি জীবিকার্জনের সময়।
Tafseer
12
وَبَنَيۡنَا فَوۡقَكُمۡ سَبۡعٗا شِدَادٗا
আর আমি তোমাদের উপরে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ।
Tafseer
13
وَجَعَلۡنَا سِرَاجٗا وَهَّاجٗا
আর আমি সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল একটি প্রদীপ।
Tafseer
14
وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلۡمُعۡصِرَٰتِ مَآءٗ ثَجَّاجٗا
আর আমি মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি বর্ষণ করেছি।
Tafseer
15
لِّنُخۡرِجَ بِهِۦ حَبّٗا وَنَبَاتٗا
যাতে তা দিয়ে আমি শস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করতে পারি।
Tafseer
16
وَجَنَّـٰتٍ أَلۡفَافًا
আর ঘন উদ্যানসমূহ।
Tafseer
17
إِنَّ يَوۡمَ ٱلۡفَصۡلِ كَانَ مِيقَٰتٗا
নিশ্চয় ফয়সালার দিন নির্ধারিত আছে।
Tafseer
18
يَوۡمَ يُنفَخُ فِي ٱلصُّورِ فَتَأۡتُونَ أَفۡوَاجٗا
সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে আসবে।
Tafseer
19
وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتۡ أَبۡوَٰبٗا
আর আসমান খুলে দেয়া হবে, ফলে তা হবে বহু দ্বারবিশিষ্ট।
Tafseer
20
وَسُيِّرَتِ ٱلۡجِبَالُ فَكَانَتۡ سَرَابًا
আর পর্বতসমূহকে চলমান করা হবে, ফলে সেগুলো মরীচিকা হয়ে যাবে।
Tafseer
21
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتۡ مِرۡصَادٗا
নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ।
Tafseer
22
لِّلطَّـٰغِينَ مَـَٔابٗا
সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।
Tafseer
23
لَّـٰبِثِينَ فِيهَآ أَحۡقَابٗا
সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।
Tafseer
24
لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرۡدٗا وَلَا شَرَابًا
সেখানে তারা কোন শীতলতা আস্বাদন করবে না এবং না কোন পানীয়।
Tafseer
25
إِلَّا حَمِيمٗا وَغَسَّاقٗا
ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া।
Tafseer
26
جَزَآءٗ وِفَاقًا
উপযুক্ত প্রতিফলস্বরূপ।
Tafseer
27
إِنَّهُمۡ كَانُواْ لَا يَرۡجُونَ حِسَابٗا
নিশ্চয় তারা হিসাবের আশা করত না।
Tafseer
28
وَكَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِنَا كِذَّابٗا
আর তারা আমার আয়াতসমূহকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছিল।
Tafseer
29
وَكُلَّ شَيۡءٍ أَحۡصَيۡنَٰهُ كِتَٰبٗا
আর সব কিছুই আমি লিখিতভাবে সংরক্ষণ করেছি।
Tafseer
30
فَذُوقُواْ فَلَن نَّزِيدَكُمۡ إِلَّا عَذَابًا
সুতরাং তোমরা স্বাদ গ্রহণ কর। আর আমি তো কেবল তোমাদের আযাবই বৃদ্ধি করব।
Tafseer
31
إِنَّ لِلۡمُتَّقِينَ مَفَازًا
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা।
Tafseer
32
حَدَآئِقَ وَأَعۡنَٰبٗا
উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ।
Tafseer
33
وَكَوَاعِبَ أَتۡرَابٗا
আর সমবয়স্কা উদ্‌ভিন্ন যৌবনা তরুণী।
Tafseer
34
وَكَأۡسٗا دِهَاقٗا
আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।
Tafseer
35
لَّا يَسۡمَعُونَ فِيهَا لَغۡوٗا وَلَا كِذَّـٰبٗا
তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।
Tafseer
36
جَزَآءٗ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابٗا
তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ।
Tafseer
37
رَّبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا ٱلرَّحۡمَٰنِۖ لَا يَمۡلِكُونَ مِنۡهُ خِطَابٗا
যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার সামর্থ্য রাখবে না।
Tafseer
38
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلۡمَلَـٰٓئِكَةُ صَفّٗاۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنۡ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحۡمَٰنُ وَقَالَ صَوَابٗا
সেদিন রূহ* ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে।*হযরত জিবরীল (আঃ)।
Tafseer
39
ذَٰلِكَ ٱلۡيَوۡمُ ٱلۡحَقُّۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا
ঐ দিনটি সত্য। অতএব যে চায়, সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক।
Tafseer
40
إِنَّآ أَنذَرۡنَٰكُمۡ عَذَابٗا قَرِيبٗا يَوۡمَ يَنظُرُ ٱلۡمَرۡءُ مَا قَدَّمَتۡ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلۡكَافِرُ يَٰلَيۡتَنِي كُنتُ تُرَٰبَۢا
নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী আযাব সম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু’হাত কী অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কাফির বলবে ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম’!
Tafseer
1
وَٱلنَّـٰزِعَٰتِ غَرۡقٗا
কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।** ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।
Tafseer
2
وَٱلنَّـٰشِطَٰتِ نَشۡطٗا
আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।
Tafseer
3
وَٱلسَّـٰبِحَٰتِ سَبۡحٗا
আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।
Tafseer
4
فَٱلسَّـٰبِقَٰتِ سَبۡقٗا
আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।
Tafseer
5
فَٱلۡمُدَبِّرَٰتِ أَمۡرٗا
অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।
Tafseer
6
يَوۡمَ تَرۡجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে।*অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।
Tafseer
7
تَتۡبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।**দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।
Tafseer
8
قُلُوبٞ يَوۡمَئِذٖ وَاجِفَةٌ
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।
Tafseer
9
أَبۡصَٰرُهَا خَٰشِعَةٞ
তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।
Tafseer
10
يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرۡدُودُونَ فِي ٱلۡحَافِرَةِ
তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,
Tafseer
11
أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمٗا نَّخِرَةٗ
যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?
Tafseer
12
قَالُواْ تِلۡكَ إِذٗا كَرَّةٌ خَاسِرَةٞ
তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।
Tafseer
13
فَإِنَّمَا هِيَ زَجۡرَةٞ وَٰحِدَةٞ
আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।
Tafseer
14
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।
Tafseer
15
هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
Tafseer
16
إِذۡ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلۡوَادِ ٱلۡمُقَدَّسِ طُوًى
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,
Tafseer
17
ٱذۡهَبۡ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
Tafseer
18
فَقُلۡ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?
Tafseer
19
وَأَهۡدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخۡشَىٰ
‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
Tafseer
20
فَأَرَىٰهُ ٱلۡأٓيَةَ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
Tafseer
21
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।
Tafseer
22
ثُمَّ أَدۡبَرَ يَسۡعَىٰ
তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
Tafseer
23
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।
Tafseer
24
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلۡأَعۡلَىٰ
আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।
Tafseer
25
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلۡأٓخِرَةِ وَٱلۡأُولَىٰٓ
অবশেষে আল্লাহ তাকে আখিরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।
Tafseer
26
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبۡرَةٗ لِّمَن يَخۡشَىٰٓ
নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।
Tafseer
27
ءَأَنتُمۡ أَشَدُّ خَلۡقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُۚ بَنَىٰهَا
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।
Tafseer
28
رَفَعَ سَمۡكَهَا فَسَوَّىٰهَا
তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
Tafseer
29
وَأَغۡطَشَ لَيۡلَهَا وَأَخۡرَجَ ضُحَىٰهَا
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
Tafseer
30
وَٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
Tafseer
31
أَخۡرَجَ مِنۡهَا مَآءَهَا وَمَرۡعَىٰهَا
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
Tafseer
32
وَٱلۡجِبَالَ أَرۡسَىٰهَا
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
Tafseer
33
مَتَٰعٗا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَٰمِكُمۡ
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
Tafseer
34
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
Tafseer
35
يَوۡمَ يَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
Tafseer
36
وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
Tafseer
37
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
Tafseer
38
وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
Tafseer
39
فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
Tafseer
40
وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
Tafseer
41
فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।
Tafseer
42
يَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرۡسَىٰهَا
তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?
Tafseer
43
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكۡرَىٰهَآ
তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?
Tafseer
44
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।
Tafseer
45
إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخۡشَىٰهَا
তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।
Tafseer
46
كَأَنَّهُمۡ يَوۡمَ يَرَوۡنَهَا لَمۡ يَلۡبَثُوٓاْ إِلَّا عَشِيَّةً أَوۡ ضُحَىٰهَا
যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
Tafseer
1
عَبَسَ وَتَوَلَّىٰٓ
সে* ভ্রকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল।*মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
Tafseer
2
أَن جَآءَهُ ٱلۡأَعۡمَىٰ
কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি* আগমন করেছিল।* আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম
Tafseer
3
وَمَا يُدۡرِيكَ لَعَلَّهُۥ يَزَّكَّىٰٓ
আর কিসে তোমাকে জানাবে যে, সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত।
Tafseer
4
أَوۡ يَذَّكَّرُ فَتَنفَعَهُ ٱلذِّكۡرَىٰٓ
অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে সে উপদেশ তার উপকারে আসত।
Tafseer
5
أَمَّا مَنِ ٱسۡتَغۡنَىٰ
আর যে বেপরোয়া হয়েছে,
Tafseer
6
فَأَنتَ لَهُۥ تَصَدَّىٰ
তুমি তার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছ।
Tafseer
7
وَمَا عَلَيۡكَ أَلَّا يَزَّكَّىٰ
অথচ সে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার কোন দায়িত্ব বর্তাবে না।
Tafseer
8
وَأَمَّا مَن جَآءَكَ يَسۡعَىٰ
পক্ষান্তরে যে তোমার কাছে ছুটে আসল,
Tafseer
9
وَهُوَ يَخۡشَىٰ
আর সে ভয়ও করে,
Tafseer
10
فَأَنتَ عَنۡهُ تَلَهَّىٰ
অথচ তুমি তার প্রতি উদাসীন হলে।
Tafseer
11
كَلَّآ إِنَّهَا تَذۡكِرَةٞ
কখনো নয়, নিশ্চয় এটা উপদেশ বাণী।
Tafseer
12
فَمَن شَآءَ ذَكَرَهُۥ
কাজেই যে ইচ্ছা করবে, সে তা স্মরণ রাখবে।
Tafseer
13
فِي صُحُفٖ مُّكَرَّمَةٖ
এটা আছে সম্মানিত সহীফাসমূহে।**অর্থাৎ লওহে মাহফুজে।
Tafseer
14
مَّرۡفُوعَةٖ مُّطَهَّرَةِۭ
সমুন্নত, পবিত্র,
Tafseer
15
بِأَيۡدِي سَفَرَةٖ
লেখকদের হাতে,
Tafseer
16
كِرَامِۭ بَرَرَةٖ
যারা মহাসম্মানিত, অনুগত।
Tafseer
17
قُتِلَ ٱلۡإِنسَٰنُ مَآ أَكۡفَرَهُۥ
মানুষ ধ্বংস হোক, সে কতইনা অকৃতজ্ঞ!
Tafseer
18
مِنۡ أَيِّ شَيۡءٍ خَلَقَهُۥ
তিনি তাকে কোন বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন?
Tafseer
19
مِن نُّطۡفَةٍ خَلَقَهُۥ فَقَدَّرَهُۥ
শুক্র বিন্দু থেকে তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে সুগঠিত করেছেন।
Tafseer
20
ثُمَّ ٱلسَّبِيلَ يَسَّرَهُۥ
তারপর তিনি তার পথ সহজ করে দিয়েছেন।
Tafseer
21
ثُمَّ أَمَاتَهُۥ فَأَقۡبَرَهُۥ
তারপর তিনি তাকে মৃত্যু দেন এবং তাকে কবরস্থ করেন।
Tafseer
22
ثُمَّ إِذَا شَآءَ أَنشَرَهُۥ
তারপর যখন তিনি ইচ্ছা করবেন, তাকে পুনর্জীবিত করবেন।
Tafseer
23
كَلَّا لَمَّا يَقۡضِ مَآ أَمَرَهُۥ
কখনো নয়, তিনি তাকে যে আদেশ দিয়েছিলেন, সে এখনো তা পূর্ণ করেনি।
Tafseer
24
فَلۡيَنظُرِ ٱلۡإِنسَٰنُ إِلَىٰ طَعَامِهِۦٓ
কাজেই মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক।
Tafseer
25
أَنَّا صَبَبۡنَا ٱلۡمَآءَ صَبّٗا
নিশ্চয় আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি।
Tafseer
26
ثُمَّ شَقَقۡنَا ٱلۡأَرۡضَ شَقّٗا
তারপর যমীনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করি।
Tafseer
27
فَأَنۢبَتۡنَا فِيهَا حَبّٗا
অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি শস্য,
Tafseer
28
وَعِنَبٗا وَقَضۡبٗا
আঙ্গুর ও শাক-সবজি,
Tafseer
29
وَزَيۡتُونٗا وَنَخۡلٗا
যায়তূন ও খেজুর বন,
Tafseer
30
وَحَدَآئِقَ غُلۡبٗا
ঘনবৃক্ষ শোভিত বাগ-বাগিচা,
Tafseer
31
وَفَٰكِهَةٗ وَأَبّٗا
আর ফল ও তৃণগুল্ম।
Tafseer
32
مَّتَٰعٗا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَٰمِكُمۡ
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
Tafseer
33
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلصَّآخَّةُ
অতঃপর যখন বিকট আওয়াজ* আসবে,*কিয়ামত দিবসের আওয়ায।
Tafseer
34
يَوۡمَ يَفِرُّ ٱلۡمَرۡءُ مِنۡ أَخِيهِ
সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে,
Tafseer
35
وَأُمِّهِۦ وَأَبِيهِ
তার মা ও তার বাবা থেকে,
Tafseer
36
وَصَٰحِبَتِهِۦ وَبَنِيهِ
তার স্ত্রী ও তার সন্তান-সন্ততি থেকে।
Tafseer
37
لِكُلِّ ٱمۡرِيٕٖ مِّنۡهُمۡ يَوۡمَئِذٖ شَأۡنٞ يُغۡنِيهِ
সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই একটি গুরুতর অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।
Tafseer
38
وُجُوهٞ يَوۡمَئِذٖ مُّسۡفِرَةٞ
সেদিন কিছু কিছু চেহারা উজ্জ্বল হবে।
Tafseer
39
ضَاحِكَةٞ مُّسۡتَبۡشِرَةٞ
সহাস্য, প্রফুল্ল।
Tafseer
40
وَوُجُوهٞ يَوۡمَئِذٍ عَلَيۡهَا غَبَرَةٞ
আর কিছু কিছু চেহারার উপর সেদিন থাকবে মলিনতা।
Tafseer
41
تَرۡهَقُهَا قَتَرَةٌ
কালিমা সেগুলোকে আচ্ছন্ন করবে।
Tafseer
42
أُوْلَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَفَرَةُ ٱلۡفَجَرَةُ
তারাই কাফির, পাপাচারী।
Tafseer
1
إِذَا ٱلشَّمۡسُ كُوِّرَتۡ
যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে।
Tafseer
2
وَإِذَا ٱلنُّجُومُ ٱنكَدَرَتۡ
আর নক্ষত্ররাজি যখন পতিত হবে।
Tafseer
3
وَإِذَا ٱلۡجِبَالُ سُيِّرَتۡ
আর পর্বতগুলোকে যখন সঞ্চালিত করা হবে।
Tafseer
4
وَإِذَا ٱلۡعِشَارُ عُطِّلَتۡ
আর যখন দশমাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে।
Tafseer
5
وَإِذَا ٱلۡوُحُوشُ حُشِرَتۡ
আর যখন বন্য পশুগুলোকে একত্র করা হবে।
Tafseer
6
وَإِذَا ٱلۡبِحَارُ سُجِّرَتۡ
আর যখন সমুদ্রগুলোকে অগ্নিউত্তাল করা হবে।
Tafseer
7
وَإِذَا ٱلنُّفُوسُ زُوِّجَتۡ
আর যখন আত্মাগুলোকে (সমগোত্রীয়দের সাথে) মিলিয়ে দেয়া হবে।
Tafseer
8
وَإِذَا ٱلۡمَوۡءُۥدَةُ سُئِلَتۡ
আর যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
Tafseer
9
بِأَيِّ ذَنۢبٖ قُتِلَتۡ
কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে?
Tafseer
10
وَإِذَا ٱلصُّحُفُ نُشِرَتۡ
আর যখন আমলনামাগুলো প্রকাশ করে দেয়া হবে।
Tafseer
11
وَإِذَا ٱلسَّمَآءُ كُشِطَتۡ
আর যখন আসমানকে আবরণ মুক্ত করা হবে।
Tafseer
12
وَإِذَا ٱلۡجَحِيمُ سُعِّرَتۡ
আর জাহান্নামকে যখন প্রজ্জ্বলিত করা হবে।
Tafseer
13
وَإِذَا ٱلۡجَنَّةُ أُزۡلِفَتۡ
আর জান্নাতকে যখন নিকটবর্তী করা হবে।
Tafseer
14
عَلِمَتۡ نَفۡسٞ مَّآ أَحۡضَرَتۡ
তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে সে কী উপস্থিত করেছে!
Tafseer
15
فَلَآ أُقۡسِمُ بِٱلۡخُنَّسِ
আমি কসম করছি পশ্চাদপসারী নক্ষত্রের।
Tafseer
16
ٱلۡجَوَارِ ٱلۡكُنَّسِ
যা চলমান, অদৃশ্য।
Tafseer
17
وَٱلَّيۡلِ إِذَا عَسۡعَسَ
আর কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।
Tafseer
18
وَٱلصُّبۡحِ إِذَا تَنَفَّسَ
আর কসম প্রভাতের, যখন তা আগমন করে।
Tafseer
19
إِنَّهُۥ لَقَوۡلُ رَسُولٖ كَرِيمٖ
নিশ্চয় এ কুরআন সম্মানিত রাসূলের* আনিত বাণী।*জিবরীল (আলাইহিস সালাম)।
Tafseer
20
ذِي قُوَّةٍ عِندَ ذِي ٱلۡعَرۡشِ مَكِينٖ
যে শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন।
Tafseer
21
مُّطَاعٖ ثَمَّ أَمِينٖ
মান্যবর, সেখানে সে বিশ্বস্ত।
Tafseer
22
وَمَا صَاحِبُكُم بِمَجۡنُونٖ
আর তোমাদের সাথী* পাগল নয়।*মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
Tafseer
23
وَلَقَدۡ رَءَاهُ بِٱلۡأُفُقِ ٱلۡمُبِينِ
আর সে* তাকে** সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে।*মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
Tafseer
24
وَمَا هُوَ عَلَى ٱلۡغَيۡبِ بِضَنِينٖ
আর সে তো গায়েব সম্পর্কে কৃপণ নয়।
Tafseer
25
وَمَا هُوَ بِقَوۡلِ شَيۡطَٰنٖ رَّجِيمٖ
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের উক্তি নয়।
Tafseer
26
فَأَيۡنَ تَذۡهَبُونَ
সুতরাং তোমরা কোথায় যাচ্ছ?
Tafseer
27
إِنۡ هُوَ إِلَّا ذِكۡرٞ لِّلۡعَٰلَمِينَ
এটাতো সৃষ্টিকুলের জন্য উপদেশমাত্র।
Tafseer
28
لِمَن شَآءَ مِنكُمۡ أَن يَسۡتَقِيمَ
যে তোমাদের মধ্যে সরল পথে চলতে চায়, তার জন্য।
Tafseer
29
وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ
আর তোমরা ইচ্ছা করতে পার না, যদি না সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ ইচ্ছা করেন।
Tafseer
1
إِذَا ٱلسَّمَآءُ ٱنفَطَرَتۡ
যখন আসমান বিদীর্ণ হবে।
Tafseer
2
وَإِذَا ٱلۡكَوَاكِبُ ٱنتَثَرَتۡ
আর যখন নক্ষত্রগুলো ঝরে পড়বে।
Tafseer
3
وَإِذَا ٱلۡبِحَارُ فُجِّرَتۡ
আর যখন সমুদ্রগুলোকে একাকার করা হবে।
Tafseer
4
وَإِذَا ٱلۡقُبُورُ بُعۡثِرَتۡ
আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে।
Tafseer
5
عَلِمَتۡ نَفۡسٞ مَّا قَدَّمَتۡ وَأَخَّرَتۡ
তখন প্রত্যেকে জানতে পারবে, সে যা আগে পাঠিয়েছে এবং যা পিছনে রেখে গেছে।
Tafseer
6
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلۡإِنسَٰنُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ ٱلۡكَرِيمِ
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকা দিয়েছে?
Tafseer
7
ٱلَّذِي خَلَقَكَ فَسَوَّىٰكَ فَعَدَلَكَ
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তোমাকে সুসম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন।
Tafseer
8
فِيٓ أَيِّ صُورَةٖ مَّا شَآءَ رَكَّبَكَ
যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন তোমাকে গঠন করেছেন।
Tafseer
9
كَلَّا بَلۡ تُكَذِّبُونَ بِٱلدِّينِ
কখনো নয়, তোমরা তো প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে থাক।
Tafseer
10
وَإِنَّ عَلَيۡكُمۡ لَحَٰفِظِينَ
আর নিশ্চয় তোমাদের উপর সংরক্ষকগণ রয়েছে।
Tafseer
11
كِرَامٗا كَٰتِبِينَ
সম্মানিত লেখকবৃন্দ।
Tafseer
12
يَعۡلَمُونَ مَا تَفۡعَلُونَ
তারা জানে, যা তোমরা কর।
Tafseer
13
إِنَّ ٱلۡأَبۡرَارَ لَفِي نَعِيمٖ
নিশ্চয় সৎকর্মপরায়ণরা থাকবে সুখ- স্বাচ্ছন্দ্যে।
Tafseer
14
وَإِنَّ ٱلۡفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٖ
আর নিশ্চয় অন্যায়কারীরা থাকবে প্রজ্জ্বলিত আগুনে।
Tafseer
15
يَصۡلَوۡنَهَا يَوۡمَ ٱلدِّينِ
তারা সেখানে প্রবেশ করবে প্রতিদান দিবসে।
Tafseer
16
وَمَا هُمۡ عَنۡهَا بِغَآئِبِينَ
আর তারা সেখান থেকে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না।
Tafseer
17
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا يَوۡمُ ٱلدِّينِ
আর কিসে তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী?
Tafseer
18
ثُمَّ مَآ أَدۡرَىٰكَ مَا يَوۡمُ ٱلدِّينِ
তারপর বলছি, কিসে তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী?
Tafseer
19
يَوۡمَ لَا تَمۡلِكُ نَفۡسٞ لِّنَفۡسٖ شَيۡـٔٗاۖ وَٱلۡأَمۡرُ يَوۡمَئِذٖ لِّلَّهِ
সেদিন কোন মানুষ অন্য মানুষের জন্য কোন কিছুর ক্ষমতা রাখবে না। আর সেদিন সকল বিষয় হবে আল্লাহর কর্তৃত্বে।
Tafseer
1
وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ
ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য।
Tafseer
2
ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ
যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে।
Tafseer
3
وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ
আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়।
Tafseer
4
أَلَا يَظُنُّ أُوْلَـٰٓئِكَ أَنَّهُم مَّبۡعُوثُونَ
তারা কি দৃঢ় বিশ্বাস করে না যে, নিশ্চয় তারা পুনরুত্থিত হবে,
Tafseer
5
لِيَوۡمٍ عَظِيمٖ
এক মহা দিবসে ?
Tafseer
6
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ
যেদিন মানুষ সৃষ্টিকুলের রবের জন্য দাঁড়াবে।
Tafseer
7
كَلَّآ إِنَّ كِتَٰبَ ٱلۡفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٖ
কখনো নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের ‘আমলনামা সিজ্জীনে।**সপ্ত যমীনের নীচে অবস্থিত একটি স্থান। পাপীদের আমলনামা সেখানে রাখা হয়।
Tafseer
8
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا سِجِّينٞ
কিসে তোমাকে জানাবে ‘সিজ্জীন’ কী?
Tafseer
9
كِتَٰبٞ مَّرۡقُومٞ
লিখিত কিতাব।
Tafseer
10
وَيۡلٞ يَوۡمَئِذٖ لِّلۡمُكَذِّبِينَ
সেদিন ধ্বংস অস্বীকারকারীদের জন্য ।
Tafseer
11
ٱلَّذِينَ يُكَذِّبُونَ بِيَوۡمِ ٱلدِّينِ
যারা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে।
Tafseer
12
وَمَا يُكَذِّبُ بِهِۦٓ إِلَّا كُلُّ مُعۡتَدٍ أَثِيمٍ
আর সকল সীমালঙ্ঘনকারী পাপাচারী ছাড়া কেউ তা অস্বীকার করে না।
Tafseer
13
إِذَا تُتۡلَىٰ عَلَيۡهِ ءَايَٰتُنَا قَالَ أَسَٰطِيرُ ٱلۡأَوَّلِينَ
যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, ‘পূর্ববর্তীদের রূপকথা।’
Tafseer
14
كَلَّاۖ بَلۡۜ رَانَ عَلَىٰ قُلُوبِهِم مَّا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ
কখনো নয়, বরং তারা যা অর্জন করত তা-ই তাদের অন্তরসমূহকে ঢেকে দিয়েছে।
Tafseer
15
كَلَّآ إِنَّهُمۡ عَن رَّبِّهِمۡ يَوۡمَئِذٖ لَّمَحۡجُوبُونَ
কখনো নয়, নিশ্চয় সেদিন তারা তাদের রব থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে।
Tafseer
16
ثُمَّ إِنَّهُمۡ لَصَالُواْ ٱلۡجَحِيمِ
তারপর নিশ্চয় তারা প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশ করবে।
Tafseer
17
ثُمَّ يُقَالُ هَٰذَا ٱلَّذِي كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ
তারপর বলা হবে, এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে।
Tafseer
18
كَلَّآ إِنَّ كِتَٰبَ ٱلۡأَبۡرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ
কখনো নয়, নিশ্চয় নেককার লোকদের আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যীনে ।**আমল নামা। অথবা সপ্তম আকাশে জান্নাতের নিচে অবস্থিত একটি স্থান। অথবা জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ স্থান।
Tafseer
19
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا عِلِّيُّونَ
কিসে তোমাকে জানাবে ‘ইল্লিয়্যীন’ কী?
Tafseer
20
كِتَٰبٞ مَّرۡقُومٞ
লিখিত কিতাব।
Tafseer
21
يَشۡهَدُهُ ٱلۡمُقَرَّبُونَ
নৈকট্যপ্রাপ্তরাই তা অবলোকন করে।
Tafseer
22
إِنَّ ٱلۡأَبۡرَارَ لَفِي نَعِيمٍ
নিশ্চয় নেককাররাই থাকবে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে।
Tafseer
23
عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ
সুসজ্জিত আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে।
Tafseer
24
تَعۡرِفُ فِي وُجُوهِهِمۡ نَضۡرَةَ ٱلنَّعِيمِ
তুমি তাদের চেহারাসমূহে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের লাবণ্যতা দেখতে পাবে।
Tafseer
25
يُسۡقَوۡنَ مِن رَّحِيقٖ مَّخۡتُومٍ
তাদেরকে সীলমোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় থেকে পান করানো হবে।
Tafseer
26
خِتَٰمُهُۥ مِسۡكٞۚ وَفِي ذَٰلِكَ فَلۡيَتَنَافَسِ ٱلۡمُتَنَٰفِسُونَ
তার মোহর হবে মিসক। আর প্রতিযোগিতাকারীদের উচিৎ এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা।
Tafseer
27
وَمِزَاجُهُۥ مِن تَسۡنِيمٍ
আর তার মিশ্রণ হবে তাসনীম থেকে।
Tafseer
28
عَيۡنٗا يَشۡرَبُ بِهَا ٱلۡمُقَرَّبُونَ
তা এক প্রস্রবণ, যা থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে।
Tafseer
29
إِنَّ ٱلَّذِينَ أَجۡرَمُواْ كَانُواْ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ يَضۡحَكُونَ
নিশ্চয় যারা অপরাধ করেছে তারা মুমিনদেরকে নিয়ে হাসত।
Tafseer
30
وَإِذَا مَرُّواْ بِهِمۡ يَتَغَامَزُونَ
আর যখন তারা মুমিনদের পাশ দিয়ে যেত তখন তারা তাদেরকে নিয়ে চোখ টিপে বিদ্রূপ করত।
Tafseer
31
وَإِذَا ٱنقَلَبُوٓاْ إِلَىٰٓ أَهۡلِهِمُ ٱنقَلَبُواْ فَكِهِينَ
আর যখন তারা পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসত তখন তারা উৎফুল্ল হয়ে ফিরে আসত।
Tafseer
32
وَإِذَا رَأَوۡهُمۡ قَالُوٓاْ إِنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ لَضَآلُّونَ
আর যখন তারা মুমিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘নিশ্চয় এরা পথভ্রষ্ট’।
Tafseer
33
وَمَآ أُرۡسِلُواْ عَلَيۡهِمۡ حَٰفِظِينَ
আর তাদেরকে তো মুমিনদের হিফাযতকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি।
Tafseer
34
فَٱلۡيَوۡمَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنَ ٱلۡكُفَّارِ يَضۡحَكُونَ
অতএব আজ মুমিনরাই কাফিরদেরকে নিয়ে হাসবে।
Tafseer
35
عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ
উচ্চ আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে।
Tafseer
36
هَلۡ ثُوِّبَ ٱلۡكُفَّارُ مَا كَانُواْ يَفۡعَلُونَ
কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান দেয়া হল তো?
Tafseer
1
إِذَا ٱلسَّمَآءُ ٱنشَقَّتۡ
যখন আসমান ফেটে যাবে।
Tafseer
2
وَأَذِنَتۡ لِرَبِّهَا وَحُقَّتۡ
আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।
Tafseer
3
وَإِذَا ٱلۡأَرۡضُ مُدَّتۡ
আর যখন যমীনকে সম্প্রসারিত করা হবে।
Tafseer
4
وَأَلۡقَتۡ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتۡ
আর তার মধ্যে যা রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং খালি হয়ে যাবে।
Tafseer
5
وَأَذِنَتۡ لِرَبِّهَا وَحُقَّتۡ
আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।
Tafseer
6
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلۡإِنسَٰنُ إِنَّكَ كَادِحٌ إِلَىٰ رَبِّكَ كَدۡحٗا فَمُلَٰقِيهِ
হে মানুষ, তোমার রব পর্যন্ত (পৌঁছতে) অবশ্যই তোমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অতঃপর তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।
Tafseer
7
فَأَمَّا مَنۡ أُوتِيَ كِتَٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ
অতঃপর যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে;
Tafseer
8
فَسَوۡفَ يُحَاسَبُ حِسَابٗا يَسِيرٗا
অত্যন্ত সহজভাবেই তার হিসাব-নিকাশ করা হবে।
Tafseer
9
وَيَنقَلِبُ إِلَىٰٓ أَهۡلِهِۦ مَسۡرُورٗا
আর সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে আনন্দিত হয়ে ফিরে যাবে।
Tafseer
10
وَأَمَّا مَنۡ أُوتِيَ كِتَٰبَهُۥ وَرَآءَ ظَهۡرِهِۦ
আর যাকে তার আমলনামা পিঠের পেছনে দেয়া হবে,
Tafseer
11
فَسَوۡفَ يَدۡعُواْ ثُبُورٗا
অতঃপর সে ধ্বংস আহবান করতে থাকবে।
Tafseer
12
وَيَصۡلَىٰ سَعِيرًا
আর সে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।
Tafseer
13
إِنَّهُۥ كَانَ فِيٓ أَهۡلِهِۦ مَسۡرُورًا
নিশ্চয় সে তার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল।
Tafseer
14
إِنَّهُۥ ظَنَّ أَن لَّن يَحُورَ
নিশ্চয় সে মনে করত যে, সে কখনো ফিরে যাবে না।
Tafseer
15
بَلَىٰٓۚ إِنَّ رَبَّهُۥ كَانَ بِهِۦ بَصِيرٗا
হ্যাঁ, নিশ্চয় তার রব তার প্রতি সম্যক দৃষ্টি দানকারী।
Tafseer
16
فَلَآ أُقۡسِمُ بِٱلشَّفَقِ
অতঃপর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার।
Tafseer
17
وَٱلَّيۡلِ وَمَا وَسَقَ
আর রাতের কসম এবং রাত যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার।
Tafseer
18
وَٱلۡقَمَرِ إِذَا ٱتَّسَقَ
আর চাঁদের কসম, যখন তা পরিপূর্ণ হয়।
Tafseer
19
لَتَرۡكَبُنَّ طَبَقًا عَن طَبَقٖ
অবশ্যই তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করবে।
Tafseer
20
فَمَا لَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ
অতএব তাদের কী হল যে, তারা ঈমান আনছে না?
Tafseer
21
وَإِذَا قُرِئَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡقُرۡءَانُ لَا يَسۡجُدُونَۤ۩
আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা সিজদা করে না।[সাজদাহ]
Tafseer
22
بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ يُكَذِّبُونَ
বরং কাফিররা অস্বীকার করে।
Tafseer
23
وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا يُوعُونَ
আর তারা যা অন্তরে পোষণ করে আল্লাহ তা সবিশেষ পরিজ্ঞাত।
Tafseer
24
فَبَشِّرۡهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
অতএব তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও।
Tafseer
25
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ لَهُمۡ أَجۡرٌ غَيۡرُ مَمۡنُونِۭ
কিন্তু যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।
Tafseer
1
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلۡبُرُوجِ
কক্ষপথ বিশিষ্ট আসমানের কসম,
Tafseer
2
وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡمَوۡعُودِ
আর ওয়াদাকৃত দিনের কসম,
Tafseer
3
وَشَاهِدٖ وَمَشۡهُودٖ
আর কসম সাক্ষ্যদাতার এবং যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়া হবে তার,
Tafseer
4
قُتِلَ أَصۡحَٰبُ ٱلۡأُخۡدُودِ
ধ্বংস হয়েছে গর্তের অধিপতিরা,
Tafseer
5
ٱلنَّارِ ذَاتِ ٱلۡوَقُودِ
(যাতে ছিল) ইন্ধনপূর্ণ আগুন।
Tafseer
6
إِذۡ هُمۡ عَلَيۡهَا قُعُودٞ
যখন তারা তার কিনারায় উপবিষ্ট ছিল।
Tafseer
7
وَهُمۡ عَلَىٰ مَا يَفۡعَلُونَ بِٱلۡمُؤۡمِنِينَ شُهُودٞ
আর তারা মুমিনদের সাথে যা করছিল তার প্রত্যক্ষদর্শী।
Tafseer
8
وَمَا نَقَمُواْ مِنۡهُمۡ إِلَّآ أَن يُؤۡمِنُواْ بِٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡحَمِيدِ
আর তারা তাদেরকে নির্যাতন করেছিল শুধুমাত্র এ কারণে যে, তারা মহাপরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল।
Tafseer
9
ٱلَّذِي لَهُۥ مُلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ شَهِيدٌ
আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব যার। আর আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী।
Tafseer
10
إِنَّ ٱلَّذِينَ فَتَنُواْ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ ثُمَّ لَمۡ يَتُوبُواْ فَلَهُمۡ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمۡ عَذَابُ ٱلۡحَرِيقِ
নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আযাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আযাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আযাব।
Tafseer
11
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ لَهُمۡ جَنَّـٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۚ ذَٰلِكَ ٱلۡفَوۡزُ ٱلۡكَبِيرُ
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। যার তলদেশে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ। এটাই বিরাট সফলতা।
Tafseer
12
إِنَّ بَطۡشَ رَبِّكَ لَشَدِيدٌ
নিশ্চয় তোমার রবের পাকড়াও বড়ই কঠিন।
Tafseer
13
إِنَّهُۥ هُوَ يُبۡدِئُ وَيُعِيدُ
নিশ্চয় তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তিনিই পুনরায় সৃষ্টি করবেন।
Tafseer
14
وَهُوَ ٱلۡغَفُورُ ٱلۡوَدُودُ
আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।
Tafseer
15
ذُو ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡمَجِيدُ
আরশের অধিপতি, মহান।
Tafseer
16
فَعَّالٞ لِّمَا يُرِيدُ
তিনি তা-ই করেন যা চান ।
Tafseer
17
هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلۡجُنُودِ
তোমার কাছে কি সৈন্যবাহিনীর খবর পৌঁছেছে?
Tafseer
18
فِرۡعَوۡنَ وَثَمُودَ
ফির‘আউন ও সামূদের।
Tafseer
19
بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فِي تَكۡذِيبٖ
বরং কাফিররা মিথ্যারোপে লিপ্ত।
Tafseer
20
وَٱللَّهُ مِن وَرَآئِهِم مُّحِيطُۢ
আর আল্লাহ তাদের অলক্ষ্যে তাদের পরিবেষ্টনকারী।
Tafseer
21
بَلۡ هُوَ قُرۡءَانٞ مَّجِيدٞ
বরং তা সম্মানিত কুরআন।
Tafseer
22
فِي لَوۡحٖ مَّحۡفُوظِۭ
সুরক্ষিত ফলকে (লিপিবদ্ধ)।
Tafseer
1
وَٱلسَّمَآءِ وَٱلطَّارِقِ
কসম আসমানের ও রাতে আগমনকারীর।
Tafseer
2
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلطَّارِقُ
আর কিসে তোমাকে জানাবে রাতে আগমনকারী কী?
Tafseer
3
ٱلنَّجۡمُ ٱلثَّاقِبُ
উজ্জ্বল নক্ষত্র।
Tafseer
4
إِن كُلُّ نَفۡسٖ لَّمَّا عَلَيۡهَا حَافِظٞ
প্রত্যেক জীবের উপরই সংরক্ষক রয়েছে।
Tafseer
5
فَلۡيَنظُرِ ٱلۡإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ
অতএব মানুষের চিন্তা করে দেখা উচিৎ, তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?
Tafseer
6
خُلِقَ مِن مَّآءٖ دَافِقٖ
তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে দ্রুতবেগে নির্গত পানি থেকে।
Tafseer
7
يَخۡرُجُ مِنۢ بَيۡنِ ٱلصُّلۡبِ وَٱلتَّرَآئِبِ
যা বের হয় মেরুদন্ড ও বুকের হাঁড়ের মধ্য থেকে।
Tafseer
8
إِنَّهُۥ عَلَىٰ رَجۡعِهِۦ لَقَادِرٞ
নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।
Tafseer
9
يَوۡمَ تُبۡلَى ٱلسَّرَآئِرُ
যে দিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষা করা হবে।
Tafseer
10
فَمَا لَهُۥ مِن قُوَّةٖ وَلَا نَاصِرٖ
অতএব তার কোন শক্তি থাকবে না। আর সাহায্যকারীও না।
Tafseer
11
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلرَّجۡعِ
বৃষ্টিসম্পন্ন আসমানের কসম।
Tafseer
12
وَٱلۡأَرۡضِ ذَاتِ ٱلصَّدۡعِ
কসম বিদীর্ণ যমীনের।
Tafseer
13
إِنَّهُۥ لَقَوۡلٞ فَصۡلٞ
নিশ্চয় এটা ফয়সালাকারী বাণী।
Tafseer
14
وَمَا هُوَ بِٱلۡهَزۡلِ
আর তা অনর্থক নয়।
Tafseer
15
إِنَّهُمۡ يَكِيدُونَ كَيۡدٗا
নিশ্চয় তারা ভীষণ কৌশল করছে।
Tafseer
16
وَأَكِيدُ كَيۡدٗا
আর আমিও ভীষণ কৌশল করছি।
Tafseer
17
فَمَهِّلِ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَمۡهِلۡهُمۡ رُوَيۡدَۢا
অতএব কাফিরদেরকে অবকাশ দাও, তাদেরকে কিছু সময়ের অবকাশ দাও।
Tafseer
1
سَبِّحِ ٱسۡمَ رَبِّكَ ٱلۡأَعۡلَى
তুমি তোমার সুমহান রবের নামের তাসবীহ পাঠ কর,
Tafseer
2
ٱلَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ
যিনি সৃষ্টি করেন। অতঃপর সুসম করেন।
Tafseer
3
وَٱلَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ
আর যিনি নিরূপণ করেন অতঃপর পথ নির্দেশ দেন।
Tafseer
4
وَٱلَّذِيٓ أَخۡرَجَ ٱلۡمَرۡعَىٰ
আর যিনি তৃণ-লতা বের করেন।
Tafseer
5
فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحۡوَىٰ
তারপর তা কালো খড়-কুটায় পরিণত করেন।
Tafseer
6
سَنُقۡرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰٓ
আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব অতঃপর তুমি ভুলবে না।
Tafseer
7
إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُۚ إِنَّهُۥ يَعۡلَمُ ٱلۡجَهۡرَ وَمَا يَخۡفَىٰ
আল্লাহ যা চান তা ছাড়া। নিশ্চয় তিনি জানেন, যা প্রকাশ্য এবং যা গোপন থাকে।
Tafseer
8
وَنُيَسِّرُكَ لِلۡيُسۡرَىٰ
আর আমি তোমাকে সহজ বিষয় সহজ করে দেব।
Tafseer
9
فَذَكِّرۡ إِن نَّفَعَتِ ٱلذِّكۡرَىٰ
অতঃপর উপদেশ দাও যদি উপদেশ ফলপ্রসু হয়।
Tafseer
10
سَيَذَّكَّرُ مَن يَخۡشَىٰ
সে-ই উপদেশ গ্রহণ করে, যে ভয় করে ।
Tafseer
11
وَيَتَجَنَّبُهَا ٱلۡأَشۡقَى
আর হতভাগাই তা এড়িয়ে যায়।
Tafseer
12
ٱلَّذِي يَصۡلَى ٱلنَّارَ ٱلۡكُبۡرَىٰ
যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে।
Tafseer
13
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحۡيَىٰ
তারপর সে সেখানে মরবেও না এবং বাঁচবেও না।
Tafseer
14
قَدۡ أَفۡلَحَ مَن تَزَكَّىٰ
অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে আত্মশুদ্ধি করবে,
Tafseer
15
وَذَكَرَ ٱسۡمَ رَبِّهِۦ فَصَلَّىٰ
আর তার রবের নাম স্মরণ করবে, অতঃপর সালাত আদায় করবে।
Tafseer
16
بَلۡ تُؤۡثِرُونَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا
বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ।
Tafseer
17
وَٱلۡأٓخِرَةُ خَيۡرٞ وَأَبۡقَىٰٓ
অথচ আখিরাত সর্বোত্তম ও স্থায়ী।
Tafseer
18
إِنَّ هَٰذَا لَفِي ٱلصُّحُفِ ٱلۡأُولَىٰ
নিশ্চয় এটা আছে পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে।
Tafseer
19
صُحُفِ إِبۡرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ
ইবরাহীম ও মূসার সহীফাসমূহে।
Tafseer
1
هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلۡغَٰشِيَةِ
কিয়ামতের সংবাদ কি তোমার কাছে এসেছে?
Tafseer
2
وُجُوهٞ يَوۡمَئِذٍ خَٰشِعَةٌ
সেদিন অনেক চেহারা হবে অবনত।
Tafseer
3
عَامِلَةٞ نَّاصِبَةٞ
কর্মক্লান্ত, পরিশ্রান্ত।
Tafseer
4
تَصۡلَىٰ نَارًا حَامِيَةٗ
তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে।
Tafseer
5
تُسۡقَىٰ مِنۡ عَيۡنٍ ءَانِيَةٖ
তাদের পান করানো হবে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে।
Tafseer
6
لَّيۡسَ لَهُمۡ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٖ
তাদের জন্য কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না।
Tafseer
7
لَّا يُسۡمِنُ وَلَا يُغۡنِي مِن جُوعٖ
তা মোটা-তাজাও করবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না।
Tafseer
8
وُجُوهٞ يَوۡمَئِذٖ نَّاعِمَةٞ
সেদিন অনেক চেহারা হবে লাবণ্যময়।
Tafseer
9
لِّسَعۡيِهَا رَاضِيَةٞ
নিজদের চেষ্টা সাধনায় সন্তুষ্ট।
Tafseer
10
فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٖ
সুউচ্চ জান্নাতে।
Tafseer
11
لَّا تَسۡمَعُ فِيهَا لَٰغِيَةٗ
সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বাক্য।
Tafseer
12
فِيهَا عَيۡنٞ جَارِيَةٞ
সেখানে থাকবে প্রবাহমান ঝর্ণাধারা,
Tafseer
13
فِيهَا سُرُرٞ مَّرۡفُوعَةٞ
সেখানে থাকবে সুউচ্চ আসনসমূহ।
Tafseer
14
وَأَكۡوَابٞ مَّوۡضُوعَةٞ
আর প্রস্তুত পানপাত্রসমূহ।
Tafseer
15
وَنَمَارِقُ مَصۡفُوفَةٞ
আর সারি সারি বালিশসমূহ।
Tafseer
16
وَزَرَابِيُّ مَبۡثُوثَةٌ
আর বিস্তৃত বিছানো কার্পেটরাজি।
Tafseer
17
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى ٱلۡإِبِلِ كَيۡفَ خُلِقَتۡ
তবে কি তারা উটের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না, কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?
Tafseer
18
وَإِلَى ٱلسَّمَآءِ كَيۡفَ رُفِعَتۡ
আর আকাশের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে স্থাপন করা হয়েছে?
Tafseer
19
وَإِلَى ٱلۡجِبَالِ كَيۡفَ نُصِبَتۡ
আর পর্বতমালার দিকে, কীভাবে তা স্থাপন করা হয়েছে?
Tafseer
20
وَإِلَى ٱلۡأَرۡضِ كَيۡفَ سُطِحَتۡ
আর যমীনের দিকে, কীভাবে তা বিস্তৃত করা হয়েছে?
Tafseer
21
فَذَكِّرۡ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٞ
অতএব তুমি উপদেশ দাও, তুমি তো একজন উপদেশদাতা মাত্র।
Tafseer
22
لَّسۡتَ عَلَيۡهِم بِمُصَيۡطِرٍ
তুমি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী নও।
Tafseer
23
إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ
তবে যে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং কুফরী করে,
Tafseer
24
فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلۡعَذَابَ ٱلۡأَكۡبَرَ
ফলে আল্লাহ তাকে কঠোর আযাব দেবেন।
Tafseer
25
إِنَّ إِلَيۡنَآ إِيَابَهُمۡ
নিশ্চয় আমারই নিকট তাদের প্রত্যাবর্তন।
Tafseer
26
ثُمَّ إِنَّ عَلَيۡنَا حِسَابَهُم
তারপর নিশ্চয় তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্বে।
Tafseer
1
وَٱلۡفَجۡرِ
কসম ভোরবেলার।
Tafseer
2
وَلَيَالٍ عَشۡرٖ
কসম দশ রাতের।
Tafseer
3
وَٱلشَّفۡعِ وَٱلۡوَتۡرِ
কসম জোড় ও বিজোড়ের।
Tafseer
4
وَٱلَّيۡلِ إِذَا يَسۡرِ
কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।
Tafseer
5
هَلۡ فِي ذَٰلِكَ قَسَمٞ لِّذِي حِجۡرٍ
এর মধ্যে কি বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য কসম আছে?
Tafseer
6
أَلَمۡ تَرَ كَيۡفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ
তুমি কি দেখনি তোমার রব কিরূপ আচরণ করেছেন ‘আদ জাতির সাথে?
Tafseer
7
إِرَمَ ذَاتِ ٱلۡعِمَادِ
ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিল সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী?
Tafseer
8
ٱلَّتِي لَمۡ يُخۡلَقۡ مِثۡلُهَا فِي ٱلۡبِلَٰدِ
যার সমতুল্য কোন দেশে সৃষ্টি করা হয়নি।
Tafseer
9
وَثَمُودَ ٱلَّذِينَ جَابُواْ ٱلصَّخۡرَ بِٱلۡوَادِ
আর সামূদ সম্প্রদায়, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে বাড়ি ঘর নির্মাণ করেছিল?
Tafseer
10
وَفِرۡعَوۡنَ ذِي ٱلۡأَوۡتَادِ
আর ফির‘আউন, সেনাছাউনীর অধিপতি?
Tafseer
11
ٱلَّذِينَ طَغَوۡاْ فِي ٱلۡبِلَٰدِ
যারা সকল দেশে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
Tafseer
12
فَأَكۡثَرُواْ فِيهَا ٱلۡفَسَادَ
অতঃপর তারা সেখানে বিপর্যয় বাড়িয়ে দিয়েছিল।
Tafseer
13
فَصَبَّ عَلَيۡهِمۡ رَبُّكَ سَوۡطَ عَذَابٍ
ফলে তোমার রব তাদের উপর আযাবের কশাঘাত মারলেন।
Tafseer
14
إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلۡمِرۡصَادِ
নিশ্চয় তোমার রব ঘাঁটিতেই।**مرصاد অর্থ ঘাঁটি, যেখানে কোন লোক তার শত্রুর অজান্তে তার অপেক্ষায় ওঁত পেতে থাকে এবং শত্রুকে বাগে পেয়েই আক্রমণ করে। এখানে আল্লাহর ক্ষেত্রে শব্দটি সতর্ক দৃষ্টি রাখা, অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
Tafseer
15
فَأَمَّا ٱلۡإِنسَٰنُ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكۡرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّيٓ أَكۡرَمَنِ
আর মানুষ তো এমন যে, যখন তার রব তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মান দান করেন এবং অনুগ্রহ প্রদান করেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন।
Tafseer
16
وَأَمَّآ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَيۡهِ رِزۡقَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّيٓ أَهَٰنَنِ
আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার উপর তার রিয্ককে সঙ্কুচিত করে দেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে অপমানিত করেছেন’।
Tafseer
17
كَلَّاۖ بَل لَّا تُكۡرِمُونَ ٱلۡيَتِيمَ
কখনো নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমদের দয়া-অনুগ্রহ প্রদর্শন কর না।
Tafseer
18
وَلَا تَحَـٰٓضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِينِ
আর তোমরা মিসকীনদের খাদ্যদানে পরষ্পরকে উৎসাহিত কর না।
Tafseer
19
وَتَأۡكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكۡلٗا لَّمّٗا
আর তোমরা উত্তরাধিকারের সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে ভক্ষণ কর।
Tafseer
20
وَتُحِبُّونَ ٱلۡمَالَ حُبّٗا جَمّٗا
আর তোমরা ধন-সম্পদকে অতিশয় ভালবাস।
Tafseer
21
كَلَّآۖ إِذَا دُكَّتِ ٱلۡأَرۡضُ دَكّٗا دَكّٗا
কখনো নয়, যখন যমীনকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে পরিপূর্ণভাবে।
Tafseer
22
وَجَآءَ رَبُّكَ وَٱلۡمَلَكُ صَفّٗا صَفّٗا
আর তোমার রব ও ফেরেশতাগণ উপস্থিত হবেন সারিবদ্ধভাবে।
Tafseer
23
وَجِاْيٓءَ يَوۡمَئِذِۭ بِجَهَنَّمَۚ يَوۡمَئِذٖ يَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكۡرَىٰ
আর সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু সেই স্মরণ তার কী উপকারে আসবে?
Tafseer
24
يَقُولُ يَٰلَيۡتَنِي قَدَّمۡتُ لِحَيَاتِي
সে বলবে, ‘হায়! যদি আমি কিছু আগে পাঠাতাম আমার এ জীবনের জন্য’!
Tafseer
25
فَيَوۡمَئِذٖ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٞ
অতঃপর সেদিন তাঁর আযাবের মত আযাব কেউ দিতে পারবে না।
Tafseer
26
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٞ
আর কেউ তাঁর বাঁধার মত বাঁধতে পারবে না।
Tafseer
27
يَـٰٓأَيَّتُهَا ٱلنَّفۡسُ ٱلۡمُطۡمَئِنَّةُ
হে প্রশান্ত আত্মা!
Tafseer
28
ٱرۡجِعِيٓ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةٗ مَّرۡضِيَّةٗ
তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে।
Tafseer
29
فَٱدۡخُلِي فِي عِبَٰدِي
অতঃপর আমার বান্দাদের মধ্যে শামিল হয়ে যাও।
Tafseer
30
وَٱدۡخُلِي جَنَّتِي
আর প্রবেশ কর আমার জান্নাতে।
Tafseer
1
لَآ أُقۡسِمُ بِهَٰذَا ٱلۡبَلَدِ
আমি কসম করছি এই নগরীর।
Tafseer
2
وَأَنتَ حِلُّۢ بِهَٰذَا ٱلۡبَلَدِ
আর তুমি এই নগরীতে মুক্ত।
Tafseer
3
وَوَالِدٖ وَمَا وَلَدَ
কসম জনকের এবং যা সে জন্ম দেয়।
Tafseer
4
لَقَدۡ خَلَقۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ فِي كَبَدٍ
নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি কষ্ট- ক্লেশের মধ্যে।
Tafseer
5
أَيَحۡسَبُ أَن لَّن يَقۡدِرَ عَلَيۡهِ أَحَدٞ
সে কি ধারণা করছে যে, কেউ কখনো তার উপর ক্ষমতাবান হবে না?
Tafseer
6
يَقُولُ أَهۡلَكۡتُ مَالٗا لُّبَدًا
সে বলে, ‘আমি প্রচুর ধন-সম্পদ নিঃশেষ করেছি’।
Tafseer
7
أَيَحۡسَبُ أَن لَّمۡ يَرَهُۥٓ أَحَدٌ
সে কি ধারণা করছে যে, কেউ তাকে দেখেনি?
Tafseer
8
أَلَمۡ نَجۡعَل لَّهُۥ عَيۡنَيۡنِ
আমি কি তার জন্য দু’টি চোখ বানাইনি?
Tafseer
9
وَلِسَانٗا وَشَفَتَيۡنِ
আর একটি জিহবা ও দু’টি ঠোঁট?
Tafseer
10
وَهَدَيۡنَٰهُ ٱلنَّجۡدَيۡنِ
আর আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।
Tafseer
11
فَلَا ٱقۡتَحَمَ ٱلۡعَقَبَةَ
তবে সে বন্ধুর গিরিপথটি অতিক্রম করতে সচেষ্ট হয়নি।
Tafseer
12
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلۡعَقَبَةُ
আর কিসে তোমাকে জানাবে, বন্ধুর গিরিপথটি কী?
Tafseer
13
فَكُّ رَقَبَةٍ
তা হচ্ছে, দাস মুক্তকরণ।
Tafseer
14
أَوۡ إِطۡعَٰمٞ فِي يَوۡمٖ ذِي مَسۡغَبَةٖ
অথবা খাদ্য দান করা দুর্ভিক্ষের দিনে।
Tafseer
15
يَتِيمٗا ذَا مَقۡرَبَةٍ
ইয়াতীম আত্মীয়-স্বজনকে।
Tafseer
16
أَوۡ مِسۡكِينٗا ذَا مَتۡرَبَةٖ
অথবা ধূলি-মলিন মিসকীনকে।
Tafseer
17
ثُمَّ كَانَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَتَوَاصَوۡاْ بِٱلصَّبۡرِ وَتَوَاصَوۡاْ بِٱلۡمَرۡحَمَةِ
অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় ধৈর্যধারণের, আর পরস্পরকে উপদেশ দেয় দয়া-অনুগ্রহের।
Tafseer
18
أُوْلَـٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَيۡمَنَةِ
তারাই সৌভাগ্যবান।
Tafseer
19
وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِـَٔايَٰتِنَا هُمۡ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَشۡـَٔمَةِ
আর যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে তারাই দুর্ভাগা।
Tafseer
20
عَلَيۡهِمۡ نَارٞ مُّؤۡصَدَةُۢ
তাদের উপর থাকবে অবরুদ্ধ আগুন।
Tafseer
1
وَٱلشَّمۡسِ وَضُحَىٰهَا
কসম সূর্যের ও তার কিরণের।
Tafseer
2
وَٱلۡقَمَرِ إِذَا تَلَىٰهَا
কসম চাঁদের, যখন তা সূর্যের অনুগামী হয়।
Tafseer
3
وَٱلنَّهَارِ إِذَا جَلَّىٰهَا
কসম দিবসের, যখন তা সূর্যকে প্রকাশ করে।
Tafseer
4
وَٱلَّيۡلِ إِذَا يَغۡشَىٰهَا
কসম রাতের, যখন তা সূর্যকে ঢেকে দেয়।
Tafseer
5
وَٱلسَّمَآءِ وَمَا بَنَىٰهَا
কসম আসমানের এবং যিনি তা বানিয়েছেন।
Tafseer
6
وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا طَحَىٰهَا
কসম যমীনের এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন।
Tafseer
7
وَنَفۡسٖ وَمَا سَوَّىٰهَا
কসম নাফ্সের এবং যিনি তা সুসম করেছেন।
Tafseer
8
فَأَلۡهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقۡوَىٰهَا
অতঃপর তিনি তাকে অবহিত করেছেন তার পাপসমূহ ও তার তাকওয়া সম্পর্কে।
Tafseer
9
قَدۡ أَفۡلَحَ مَن زَكَّىٰهَا
নিঃসন্দেহে সে সফলকাম হয়েছে, যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে।
Tafseer
10
وَقَدۡ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا
এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা (নাফস)-কে কলুষিত করেছে।
Tafseer
11
كَذَّبَتۡ ثَمُودُ بِطَغۡوَىٰهَآ
সামূদ জাতি আপন অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করেছিল।
Tafseer
12
إِذِ ٱنۢبَعَثَ أَشۡقَىٰهَا
যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগা ব্যক্তিটি তৎপর হয়ে উঠল।
Tafseer
13
فَقَالَ لَهُمۡ رَسُولُ ٱللَّهِ نَاقَةَ ٱللَّهِ وَسُقۡيَٰهَا
তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিল, ‘আল্লাহর উষ্ট্রী ও তার পানি পান সম্পর্কে সতর্ক হও।’
Tafseer
14
فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمۡدَمَ عَلَيۡهِمۡ رَبُّهُم بِذَنۢبِهِمۡ فَسَوَّىٰهَا
কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করল এবং উষ্ট্রীকে যবেহ করল। ফলে তাদের রব তাদের অপরাধের কারণে তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দিলেন। অতঃপর তা একাকার করে দিলেন।
Tafseer
15
وَلَا يَخَافُ عُقۡبَٰهَا
আর তিনি এর পরিণামকে ভয় করেন না।
Tafseer
1
وَٱلَّيۡلِ إِذَا يَغۡشَىٰ
কসম রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়।
Tafseer
2
وَٱلنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ
কসম দিনের, যখন তা আলোকিত হয়।
Tafseer
3
وَمَا خَلَقَ ٱلذَّكَرَ وَٱلۡأُنثَىٰٓ
কসম তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন।
Tafseer
4
إِنَّ سَعۡيَكُمۡ لَشَتَّىٰ
নিশ্চয় তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকারের।
Tafseer
5
فَأَمَّا مَنۡ أَعۡطَىٰ وَٱتَّقَىٰ
সুতরাং যে দান করেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে,
Tafseer
6
وَصَدَّقَ بِٱلۡحُسۡنَىٰ
আর উত্তমকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে,
Tafseer
7
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلۡيُسۡرَىٰ
আমি তার জন্য সহজ পথে চলা সুগম করে দেব।
Tafseer
8
وَأَمَّا مَنۢ بَخِلَ وَٱسۡتَغۡنَىٰ
আর যে কার্পণ্য করেছে এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করেছে,
Tafseer
9
وَكَذَّبَ بِٱلۡحُسۡنَىٰ
আর উত্তমকে মিথ্যা বলে মনে করেছে,
Tafseer
10
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلۡعُسۡرَىٰ
আমি তার জন্য কঠিন পথে চলা সুগম করে দেব।
Tafseer
11
وَمَا يُغۡنِي عَنۡهُ مَالُهُۥٓ إِذَا تَرَدَّىٰٓ
আর তার সম্পদ তার কোন কাজে আসবে না, যখন সে অধঃপতিত হবে।
Tafseer
12
إِنَّ عَلَيۡنَا لَلۡهُدَىٰ
নিশ্চয় পথ প্রদর্শন করাই আমার দায়িত্ব।
Tafseer
13
وَإِنَّ لَنَا لَلۡأٓخِرَةَ وَٱلۡأُولَىٰ
আর অবশ্যই আমার অধিকারে পরকাল ও ইহকাল।
Tafseer
14
فَأَنذَرۡتُكُمۡ نَارٗا تَلَظَّىٰ
অতএব আমি তোমাদের সতর্ক করে দিয়েছি লেলিহান আগুন সম্পর্কে,
Tafseer
15
لَا يَصۡلَىٰهَآ إِلَّا ٱلۡأَشۡقَى
তাতে নিতান্ত হতভাগা ছাড়া কেউ প্রবেশ করবে না;
Tafseer
16
ٱلَّذِي كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ
যে অস্বীকার করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
Tafseer
17
وَسَيُجَنَّبُهَا ٱلۡأَتۡقَى
আর তা থেকে দূরে রাখা হবে পরম মুত্তাকীকে।
Tafseer
18
ٱلَّذِي يُؤۡتِي مَالَهُۥ يَتَزَكَّىٰ
যে তার সম্পদ দান করে আত্ম-শুদ্ধির উদ্দেশ্যে,
Tafseer
19
وَمَا لِأَحَدٍ عِندَهُۥ مِن نِّعۡمَةٖ تُجۡزَىٰٓ
আর তার প্রতি কারো এমন কোন অনুগ্রহ নেই, যার প্রতিদান দিতে হবে।
Tafseer
20
إِلَّا ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِ ٱلۡأَعۡلَىٰ
কেবল তার মহান রবের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।
Tafseer
21
وَلَسَوۡفَ يَرۡضَىٰ
আর অচিরেই সে সন্তোষ লাভ করবে।
Tafseer
1
وَٱلضُّحَىٰ
কসম পূর্বা‎‎হ্নের,
Tafseer
2
وَٱلَّيۡلِ إِذَا سَجَىٰ
কসম রাতের যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়।
Tafseer
3
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَىٰ
তোমার রব তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি।
Tafseer
4
وَلَلۡأٓخِرَةُ خَيۡرٞ لَّكَ مِنَ ٱلۡأُولَىٰ
আর অবশ্যই তোমার জন্য পরবর্তী সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে উত্তম।
Tafseer
5
وَلَسَوۡفَ يُعۡطِيكَ رَبُّكَ فَتَرۡضَىٰٓ
আর অচিরেই তোমার রব তোমাকে দান করবেন, ফলে তুমি সন্তুষ্ট হবে।
Tafseer
6
أَلَمۡ يَجِدۡكَ يَتِيمٗا فَـَٔاوَىٰ
তিনি কি তোমাকে ইয়াতীম অবস্থায় পাননি? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।
Tafseer
7
وَوَجَدَكَ ضَآلّٗا فَهَدَىٰ
আর তিনি তোমাকে পেয়েছেন পথ না জানা অবস্থায়। অতঃপর তিনি পথনির্দেশ দিয়েছেন।
Tafseer
8
وَوَجَدَكَ عَآئِلٗا فَأَغۡنَىٰ
তিনি তোমাকে পেয়েছেন নিঃস্ব। অতঃপর তিনি সমৃদ্ধ করেছেন।
Tafseer
9
فَأَمَّا ٱلۡيَتِيمَ فَلَا تَقۡهَرۡ
সুতরাং তুমি ইয়াতীমের প্রতি কঠোর হয়ো না।
Tafseer
10
وَأَمَّا ٱلسَّآئِلَ فَلَا تَنۡهَرۡ
আর ভিক্ষুককে তুমি ধমক দিওনা।
Tafseer
11
وَأَمَّا بِنِعۡمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثۡ
আর তোমার রবের অনুগ্রহ তুমি বর্ণনা কর।
Tafseer
1
أَلَمۡ نَشۡرَحۡ لَكَ صَدۡرَكَ
আমি কি তোমার জন্য তোমার বক্ষ প্রশস্ত করিনি?
Tafseer
2
وَوَضَعۡنَا عَنكَ وِزۡرَكَ
আর আমি নামিয়ে দিয়েছি তোমার থেকে তোমার বোঝা,
Tafseer
3
ٱلَّذِيٓ أَنقَضَ ظَهۡرَكَ
যা তোমার পিঠ ভেঙ্গে দিচ্ছিল।
Tafseer
4
وَرَفَعۡنَا لَكَ ذِكۡرَكَ
আর আমি তোমার (মর্যাদার) জন্য তোমার স্মরণকে সমুন্নত করেছি।
Tafseer
5
فَإِنَّ مَعَ ٱلۡعُسۡرِ يُسۡرًا
সুতরাং কষ্টের সাথেই রয়েছে সুখ।
Tafseer
6
إِنَّ مَعَ ٱلۡعُسۡرِ يُسۡرٗا
নিশ্চয় কষ্টের সাথেই রয়েছে সুখ।
Tafseer
7
فَإِذَا فَرَغۡتَ فَٱنصَبۡ
অতএব যখনই তুমি অবসর পাবে, তখনই কঠোর ইবাদাতে রত হও।
Tafseer
8
وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَٱرۡغَب
আর তোমার রবের প্রতি আকৃষ্ট হও।
Tafseer
1
وَٱلتِّينِ وَٱلزَّيۡتُونِ
কসম ‘তীন ও যায়তূন’ এর।
Tafseer
2
وَطُورِ سِينِينَ
কসম ‘সিনাই’ পর্বতের,
Tafseer
3
وَهَٰذَا ٱلۡبَلَدِ ٱلۡأَمِينِ
কসম এই নিরাপদ নগরীর।
Tafseer
4
لَقَدۡ خَلَقۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ فِيٓ أَحۡسَنِ تَقۡوِيمٖ
অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম গঠনে।
Tafseer
5
ثُمَّ رَدَدۡنَٰهُ أَسۡفَلَ سَٰفِلِينَ
তারপর আমি তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি হীনদের হীনতম রূপে।
Tafseer
6
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ فَلَهُمۡ أَجۡرٌ غَيۡرُ مَمۡنُونٖ
তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।
Tafseer
7
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعۡدُ بِٱلدِّينِ
সুতরাং এরপরও কিসে তোমাকে কর্মফল সম্পর্কে অবিশ্বাসী করে তোলে?
Tafseer
8
أَلَيۡسَ ٱللَّهُ بِأَحۡكَمِ ٱلۡحَٰكِمِينَ
আল্লাহ কি বিচারকদের শ্রেষ্ঠ বিচারক নন?
Tafseer
1
ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ
পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।
Tafseer
2
خَلَقَ ٱلۡإِنسَٰنَ مِنۡ عَلَقٍ
তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে 'আলাক' থেকে।
Tafseer
3
ٱقۡرَأۡ وَرَبُّكَ ٱلۡأَكۡرَمُ
পড়, আর তোমার রব মহামহিম।
Tafseer
4
ٱلَّذِي عَلَّمَ بِٱلۡقَلَمِ
যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
Tafseer
5
عَلَّمَ ٱلۡإِنسَٰنَ مَا لَمۡ يَعۡلَمۡ
তিনি মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না।
Tafseer
6
كَلَّآ إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لَيَطۡغَىٰٓ
কখনো নয়, নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে থাকে।
Tafseer
7
أَن رَّءَاهُ ٱسۡتَغۡنَىٰٓ
কেননা সে নিজকে মনে করে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
Tafseer
8
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلرُّجۡعَىٰٓ
নিশ্চয় তোমার রবের দিকেই প্রত্যাবর্তন।
Tafseer
9
أَرَءَيۡتَ ٱلَّذِي يَنۡهَىٰ
তুমি কি তাকে দেখেছ যে নিষেধ করে।
Tafseer
10
عَبۡدًا إِذَا صَلَّىٰٓ
এক বান্দাকে, যখন সে সালাত আদায় করে?
Tafseer
11
أَرَءَيۡتَ إِن كَانَ عَلَى ٱلۡهُدَىٰٓ
তুমি কি দেখেছ, যদি সে হিদায়াতের উপর থাকে,
Tafseer
12
أَوۡ أَمَرَ بِٱلتَّقۡوَىٰٓ
অথবা তাকওয়ার নির্দেশ দেয়?
Tafseer
13
أَرَءَيۡتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰٓ
যদি সে মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়?
Tafseer
14
أَلَمۡ يَعۡلَم بِأَنَّ ٱللَّهَ يَرَىٰ
সে কি জানেনা যে, নিঃসন্দেহে আল্লাহ দেখেন?
Tafseer
15
كَلَّا لَئِن لَّمۡ يَنتَهِ لَنَسۡفَعَۢا بِٱلنَّاصِيَةِ
কখনো নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি তাকে কপালের সম্মুখভাগের চুল ধরে টেনে- হিঁচড়ে নিয়ে যাব।
Tafseer
16
نَاصِيَةٖ كَٰذِبَةٍ خَاطِئَةٖ
মিথ্যাবাদী, পাপিষ্ঠ কপাল।
Tafseer
17
فَلۡيَدۡعُ نَادِيَهُۥ
অতএব, সে তার সভাসদদের আহবান করুক।
Tafseer
18
سَنَدۡعُ ٱلزَّبَانِيَةَ
অচিরেই আমি ডেকে নেব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে।
Tafseer
19
كَلَّا لَا تُطِعۡهُ وَٱسۡجُدۡۤ وَٱقۡتَرِب۩
কখনো নয়, তুমি তার আনুগত্য করবে না। আর সিজদা কর এবং নৈকট্য লাভ কর।[সাজদাহ]
Tafseer
1
إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِي لَيۡلَةِ ٱلۡقَدۡرِ
নিশ্চয়ই আমি এটি নাযিল করেছি ‘লাইলাতুল ক্বাদরে।’
Tafseer
2
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ
তোমাকে কিসে জানাবে ‘লাইলাতুল ক্বাদর’ কী?
Tafseer
3
لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ خَيۡرٞ مِّنۡ أَلۡفِ شَهۡرٖ
‘লাইলাতুল কদর’ হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।
Tafseer
4
تَنَزَّلُ ٱلۡمَلَـٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ فِيهَا بِإِذۡنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمۡرٖ
সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে।
Tafseer
5
سَلَٰمٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطۡلَعِ ٱلۡفَجۡرِ
শান্তিময় সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত।
Tafseer
1
لَمۡ يَكُنِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ وَٱلۡمُشۡرِكِينَ مُنفَكِّينَ حَتَّىٰ تَأۡتِيَهُمُ ٱلۡبَيِّنَةُ
কিতাবীদের মধ্যে যারা কুফরী করে তারা ও মুশরিকরা, তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ না আসা পর্যন্ত (নিজদের অবিশ্বাসে) অটল থাকবে।
Tafseer
2
رَسُولٞ مِّنَ ٱللَّهِ يَتۡلُواْ صُحُفٗا مُّطَهَّرَةٗ
আল্লাহর পক্ষ থেকে এক রাসূল পবিত্র কিতাবসমূহ তিলাওয়াত করে।
Tafseer
3
فِيهَا كُتُبٞ قَيِّمَةٞ
তাতে রয়েছে সঠিক বিধিবদ্ধ বিধান।
Tafseer
4
وَمَا تَفَرَّقَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَتۡهُمُ ٱلۡبَيِّنَةُ
আর কিতাবীরা তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরই কেবল মতভেদ করেছে।
Tafseer
5
وَمَآ أُمِرُوٓاْ إِلَّا لِيَعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مُخۡلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ حُنَفَآءَ وَيُقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤۡتُواْ ٱلزَّكَوٰةَۚ وَذَٰلِكَ دِينُ ٱلۡقَيِّمَةِ
আর তাদেরকে কেবল এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ‘ইবাদাত করে তাঁরই জন্য দীনকে একনিষ্ঠ করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়; আর এটিই হল সঠিক দীন।
Tafseer
6
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ وَٱلۡمُشۡرِكِينَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآۚ أُوْلَـٰٓئِكَ هُمۡ شَرُّ ٱلۡبَرِيَّةِ
নিশ্চয় কিতাবীদের মধ্যে যারা কুফরী করেছে ও মুশরিকরা, জাহান্নামের আগুনে থাকবে স্থায়ীভাবে। ওরাই হল নিকৃষ্ট সৃষ্টি।
Tafseer
7
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ أُوْلَـٰٓئِكَ هُمۡ خَيۡرُ ٱلۡبَرِيَّةِ
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে তারাই সৃষ্টির সর্বোৎকৃষ্ট।
Tafseer
8
جَزَآؤُهُمۡ عِندَ رَبِّهِمۡ جَنَّـٰتُ عَدۡنٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۖ رَّضِيَ ٱللَّهُ عَنۡهُمۡ وَرَضُواْ عَنۡهُۚ ذَٰلِكَ لِمَنۡ خَشِيَ رَبَّهُۥ
তাদের রবের কাছে তাদের পুরস্কার হবে স্থায়ী জান্নাত, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত, সেখানে তারা থাকবে স্থায়ীভাবে। আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন তারাও আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট হয়েছে। এটি তার জন্য, যে স্বীয় রবকে ভয় করে।
Tafseer
1
إِذَا زُلۡزِلَتِ ٱلۡأَرۡضُ زِلۡزَالَهَا
যখন প্রচন্ড কম্পনে যমীন প্রকম্পিত হবে।
Tafseer
2
وَأَخۡرَجَتِ ٱلۡأَرۡضُ أَثۡقَالَهَا
আর যমীন তার বোঝা বের করে দেবে,
Tafseer
3
وَقَالَ ٱلۡإِنسَٰنُ مَا لَهَا
আর মানুষ বলবে, ‘এর কী হল?’
Tafseer
4
يَوۡمَئِذٖ تُحَدِّثُ أَخۡبَارَهَا
সেদিন যমীন তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
Tafseer
5
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوۡحَىٰ لَهَا
যেহেতু তোমার রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
Tafseer
6
يَوۡمَئِذٖ يَصۡدُرُ ٱلنَّاسُ أَشۡتَاتٗا لِّيُرَوۡاْ أَعۡمَٰلَهُمۡ
সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্তভাবে বের হয়ে আসবে যাতে দেখানো যায় তাদেরকে তাদের নিজদের কৃতকর্ম।
Tafseer
7
فَمَن يَعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّةٍ خَيۡرٗا يَرَهُۥ
অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,
Tafseer
8
وَمَن يَعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّةٖ شَرّٗا يَرَهُۥ
আর কেউ অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলে তাও সে দেখবে।
Tafseer
1
وَٱلۡعَٰدِيَٰتِ ضَبۡحٗا
কসম ঊর্ধশ্বাসে ছুটে যাওয়া অশ্বরাজির,
Tafseer
2
فَٱلۡمُورِيَٰتِ قَدۡحٗا
অতঃপর যারা ক্ষুরাঘাতে অগ্নি-স্ফূলিঙ্গ ছড়ায়,
Tafseer
3
فَٱلۡمُغِيرَٰتِ صُبۡحٗا
অতঃপর যারা প্রত্যুষে হানা দেয়,
Tafseer
4
فَأَثَرۡنَ بِهِۦ نَقۡعٗا
অতঃপর সে তা দ্বারা ধুলি উড়ায়,
Tafseer
5
فَوَسَطۡنَ بِهِۦ جَمۡعًا
অতঃপর এর দ্বারা শত্রুদলের ভেতরে ঢুকে পড়ে;
Tafseer
6
إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لِرَبِّهِۦ لَكَنُودٞ
নিশ্চয় মানুষ তার রবের প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ।
Tafseer
7
وَإِنَّهُۥ عَلَىٰ ذَٰلِكَ لَشَهِيدٞ
আর নিশ্চয় সে এর উপর (স্বয়ং) সাক্ষী হয়।
Tafseer
8
وَإِنَّهُۥ لِحُبِّ ٱلۡخَيۡرِ لَشَدِيدٌ
আর নিশ্চয় ধন-সম্পদের লোভে সে প্রবল।
Tafseer
9
۞أَفَلَا يَعۡلَمُ إِذَا بُعۡثِرَ مَا فِي ٱلۡقُبُورِ
তবে কি সে জানে না যখন কবরে যা আছে তা উত্থিত হবে?
Tafseer
10
وَحُصِّلَ مَا فِي ٱلصُّدُورِ
আর অন্তরে যা আছে তা প্রকাশিত হবে।
Tafseer
11
إِنَّ رَبَّهُم بِهِمۡ يَوۡمَئِذٖ لَّخَبِيرُۢ
নিশ্চয় তোমার রব সেদিন তাদের ব্যাপারে সবিশেষ অবহিত।
Tafseer
1
ٱلۡقَارِعَةُ
মহাভীতিপ্রদ শব্দ।
Tafseer
2
مَا ٱلۡقَارِعَةُ
মহাভীতিপ্রদ শব্দ কী?
Tafseer
3
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلۡقَارِعَةُ
তোমাকে কিসে জানাবে মহা ভীতিপ্রদ শব্দ কী?
Tafseer
4
يَوۡمَ يَكُونُ ٱلنَّاسُ كَٱلۡفَرَاشِ ٱلۡمَبۡثُوثِ
যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মত,
Tafseer
5
وَتَكُونُ ٱلۡجِبَالُ كَٱلۡعِهۡنِ ٱلۡمَنفُوشِ
আর পর্বতরাজি হবে ধুনা রঙিন পশমের মত।
Tafseer
6
فَأَمَّا مَن ثَقُلَتۡ مَوَٰزِينُهُۥ
অতঃপর যার পাল্লা ভারী হবে,
Tafseer
7
فَهُوَ فِي عِيشَةٖ رَّاضِيَةٖ
সে থাকবে সন্তোষজনক জীবনে;
Tafseer
8
وَأَمَّا مَنۡ خَفَّتۡ مَوَٰزِينُهُۥ
আর যার পাল্লা হালকা হবে,
Tafseer
9
فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٞ
তার আবাস হবে হাবিয়া।
Tafseer
10
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا هِيَهۡ
আর তোমাকে কিসে জানাবে হাবিয়া কী?
Tafseer
11
نَارٌ حَامِيَةُۢ
প্রজ্জ্বলিত অগ্নি।
Tafseer
1
أَلۡهَىٰكُمُ ٱلتَّكَاثُرُ
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে।
Tafseer
2
حَتَّىٰ زُرۡتُمُ ٱلۡمَقَابِرَ
যতক্ষণ না তোমরা কবরের সাক্ষাৎ করবে।
Tafseer
3
كَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُونَ
কখনো নয়, শীঘ্রই তোমরা জানবে,
Tafseer
4
ثُمَّ كَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُونَ
তারপর কখনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।
Tafseer
5
كَلَّا لَوۡ تَعۡلَمُونَ عِلۡمَ ٱلۡيَقِينِ
কখনো নয়, তোমরা যদি নিশ্চিত জ্ঞানে জানতে!
Tafseer
6
لَتَرَوُنَّ ٱلۡجَحِيمَ
তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে;
Tafseer
7
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيۡنَ ٱلۡيَقِينِ
তারপর তোমরা তা নিশ্চিত চাক্ষুষ দেখবে।
Tafseer
8
ثُمَّ لَتُسۡـَٔلُنَّ يَوۡمَئِذٍ عَنِ ٱلنَّعِيمِ
তারপর সেদিন অবশ্যই তোমরা নিআমত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
Tafseer
1
وَٱلۡعَصۡرِ
সময়ের কসম,
Tafseer
2
إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لَفِي خُسۡرٍ
নিশ্চয় সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততায় নিপতিত।
Tafseer
3
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ وَتَوَاصَوۡاْ بِٱلۡحَقِّ وَتَوَاصَوۡاْ بِٱلصَّبۡرِ
তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।
Tafseer
1
وَيۡلٞ لِّكُلِّ هُمَزَةٖ لُّمَزَةٍ
দুর্ভোগ প্রত্যেকের যে সামনে নিন্দাকারী ও পেছনে গীবতকারী।
Tafseer
2
ٱلَّذِي جَمَعَ مَالٗا وَعَدَّدَهُۥ
যে সম্পদ জমা করে এবং বার বার গণনা করে।
Tafseer
3
يَحۡسَبُ أَنَّ مَالَهُۥٓ أَخۡلَدَهُۥ
সে মনে করে তার সম্পদ তাকে চিরজীবি করবে।
Tafseer
4
كَلَّاۖ لَيُنۢبَذَنَّ فِي ٱلۡحُطَمَةِ
কখনো নয়, অবশ্যই সে নিক্ষিপ্ত হবে হুতামা’য়।
Tafseer
5
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلۡحُطَمَةُ
আর কিসে তোমাকে জানাবে হুতামা কি?
Tafseer
6
نَارُ ٱللَّهِ ٱلۡمُوقَدَةُ
আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত আগুন।
Tafseer
7
ٱلَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى ٱلۡأَفۡـِٔدَةِ
যা হৃৎপিন্ড পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।
Tafseer
8
إِنَّهَا عَلَيۡهِم مُّؤۡصَدَةٞ
নিশ্চয় তা তাদেরকে আবদ্ধ করে রাখবে।
Tafseer
9
فِي عَمَدٖ مُّمَدَّدَةِۭ
প্রলম্বিত স্তম্ভসমূহে।
Tafseer
1
أَلَمۡ تَرَ كَيۡفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصۡحَٰبِ ٱلۡفِيلِ
তুমি কি দেখনি তোমার রব হাতীওয়ালাদের সাথে কী করেছিলেন?
Tafseer
2
أَلَمۡ يَجۡعَلۡ كَيۡدَهُمۡ فِي تَضۡلِيلٖ
তিনি কি তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেননি?
Tafseer
3
وَأَرۡسَلَ عَلَيۡهِمۡ طَيۡرًا أَبَابِيلَ
আর তিনি তাদের বিরুদ্ধে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি প্রেরণ করেছিলেন।
Tafseer
4
تَرۡمِيهِم بِحِجَارَةٖ مِّن سِجِّيلٖ
তারা তাদের ওপর নিক্ষেপ করে পোড়ামাটির কঙ্কর।
Tafseer
5
فَجَعَلَهُمۡ كَعَصۡفٖ مَّأۡكُولِۭ
অতঃপর তিনি তাদেরকে করলেন ভক্ষিত শস্যপাতার ন্যায়।
Tafseer
1
لِإِيلَٰفِ قُرَيۡشٍ
যেহেতু কুরাইশ অভ্যস্ত,
Tafseer
2
إِۦلَٰفِهِمۡ رِحۡلَةَ ٱلشِّتَآءِ وَٱلصَّيۡفِ
শীত ও গ্রীষ্মের সফরে তারা অভ্যস্ত হওয়ায়।
Tafseer
3
فَلۡيَعۡبُدُواْ رَبَّ هَٰذَا ٱلۡبَيۡتِ
অতএব তারা যেন এ গৃহের রবের ‘ইবাদাত করে,
Tafseer
4
ٱلَّذِيٓ أَطۡعَمَهُم مِّن جُوعٖ وَءَامَنَهُم مِّنۡ خَوۡفِۭ
যিনি ক্ষুধায় তাদেরকে আহার দিয়েছেন আর ভয় থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
Tafseer
1
أَرَءَيۡتَ ٱلَّذِي يُكَذِّبُ بِٱلدِّينِ
তুমি কি তাকে দেখেছ, যে হিসাব-প্রতিদানকে অস্বীকার করে?
Tafseer
2
فَذَٰلِكَ ٱلَّذِي يَدُعُّ ٱلۡيَتِيمَ
সে-ই ইয়াতীমকে কঠোরভাবে তাড়িয়ে দেয়,
Tafseer
3
وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِينِ
আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহ দেয় না।
Tafseer
4
فَوَيۡلٞ لِّلۡمُصَلِّينَ
অতএব সেই সালাত আদায়কারীদের জন্য দুর্ভোগ,
Tafseer
5
ٱلَّذِينَ هُمۡ عَن صَلَاتِهِمۡ سَاهُونَ
যারা নিজদের সালাতে অমনোযোগী,
Tafseer
6
ٱلَّذِينَ هُمۡ يُرَآءُونَ
যারা লোক দেখানোর জন্য তা করে,
Tafseer
7
وَيَمۡنَعُونَ ٱلۡمَاعُونَ
এবং ছোট-খাট গৃহসামগ্রী* দানে নিষেধ করে।*ماعون গৃহস্থালীর ছোট-খাট সামগ্রী। যেমন, পানি, লবণ, দিয়াশলাই, বালতি ইত্যাদি।
Tafseer
1
إِنَّآ أَعۡطَيۡنَٰكَ ٱلۡكَوۡثَرَ
নিশ্চয় আমি তোমাকে আল-কাউসার দান করেছি।
Tafseer
2
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنۡحَرۡ
অতএব তোমার রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর কর*।*অর্থ কুরবানী কর।
Tafseer
3
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلۡأَبۡتَرُ
নিশ্চয় তোমার প্রতি শত্রুতা পোষণকারীই নির্বংশ।
Tafseer
1
قُلۡ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلۡكَٰفِرُونَ
বল, ‘হে কাফিররা,
Tafseer
2
لَآ أَعۡبُدُ مَا تَعۡبُدُونَ
তোমরা যার ‘ইবাদাত কর আমি তার ‘ইবাদাত করি না’।
Tafseer
3
وَلَآ أَنتُمۡ عَٰبِدُونَ مَآ أَعۡبُدُ
এবং আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী নও’।
Tafseer
4
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٞ مَّا عَبَدتُّمۡ
‘আর তোমরা যার ‘ইবাদত করছ আমি তার ‘ইবাদাতকারী হব না’।
Tafseer
5
وَلَآ أَنتُمۡ عَٰبِدُونَ مَآ أَعۡبُدُ
‘আর আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী হবে না’।
Tafseer
6
لَكُمۡ دِينُكُمۡ وَلِيَ دِينِ
‘তোমাদের জন্য তোমাদের দীন আর আমার জন্য আমার দীন।’
Tafseer
1
إِذَا جَآءَ نَصۡرُ ٱللَّهِ وَٱلۡفَتۡحُ
যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে,
Tafseer
2
وَرَأَيۡتَ ٱلنَّاسَ يَدۡخُلُونَ فِي دِينِ ٱللَّهِ أَفۡوَاجٗا
আর তুমি লোকদেরকে দলে দলে আল্লাহর দীনে দাখিল হতে দেখবে,
Tafseer
3
فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ وَٱسۡتَغۡفِرۡهُۚ إِنَّهُۥ كَانَ تَوَّابَۢا
তখন তুমি তোমার রবের সপ্রশংস তাসবীহ পাঠ কর এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাও নিশ্চয় তিনি তাওবা কবূলকারী।
Tafseer
1
تَبَّتۡ يَدَآ أَبِي لَهَبٖ وَتَبَّ
ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দু’হাত এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক।
Tafseer
2
مَآ أَغۡنَىٰ عَنۡهُ مَالُهُۥ وَمَا كَسَبَ
তার ধন-সম্পদ এবং যা সে অর্জন করেছে তা তার কাজে আসবে না।
Tafseer
3
سَيَصۡلَىٰ نَارٗا ذَاتَ لَهَبٖ
অচিরেই সে দগ্ধ হবে লেলিহান আগুনে।
Tafseer
4
وَٱمۡرَأَتُهُۥ حَمَّالَةَ ٱلۡحَطَبِ
আর তার স্ত্রী লাকড়ি বহনকারী,
Tafseer
5
فِي جِيدِهَا حَبۡلٞ مِّن مَّسَدِۭ
তার গলায় পাকানো দড়ি।
Tafseer
1
قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ
বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।
Tafseer
2
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ
আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী।
Tafseer
3
لَمۡ يَلِدۡ وَلَمۡ يُولَدۡ
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।
Tafseer
4
وَلَمۡ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدُۢ
আর তাঁর কোন সমকক্ষও নেই।
Tafseer
1
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلۡفَلَقِ
বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে,
Tafseer
2
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে,
Tafseer
3
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়,
Tafseer
4
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّـٰثَٰتِ فِي ٱلۡعُقَدِ
আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে,
Tafseer
5
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’।
Tafseer
1
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ
বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব,
Tafseer
2
مَلِكِ ٱلنَّاسِ
মানুষের অধিপতি,
Tafseer
3
إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ
মানুষের ইলাহ-এর কাছে,
Tafseer
4
مِن شَرِّ ٱلۡوَسۡوَاسِ ٱلۡخَنَّاسِ
কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে।
Tafseer
5
ٱلَّذِي يُوَسۡوِسُ فِي صُدُورِ ٱلنَّاسِ
যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়।
Tafseer
6
مِنَ ٱلۡجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ
জিন ও মানুষ থেকে।
Tafseer